জমি কেনা, বিক্রি, নামজারি, সীমানা নির্ধারণ বা ভাগ-বাটোয়ারা — প্রায় সব কাজেই প্রথমে দরকার হয় জমির নকশা। সরকারি ভাষায় একে বলা হয় মৌজা ম্যাপ বা মৌজা নকশা। এই গাইডে জানবেন জমির নকশা কোথায় পাওয়া যায়, কোন পথে কত সময় লাগে আর কোনটা আপনার কাজের জন্য ঠিক।
জমির নকশা পাওয়ার ৩টি উপায়
| উপায় | কী পাবেন | সময় | কখন বেছে নেবেন |
|---|---|---|---|
| অনলাইন ডিজিটাল কপি (বিডি মৌজা) | PDF / JPG, প্রিন্ট রেডি সাদা ফাইল | সাথে সাথে | জমি যাচাই, মাপজোক, দাগ খোঁজা, সার্ভেয়ারের কাজ |
| প্রিন্ট হার্ড কপি (বিডি মৌজা) | কাগজে প্রিন্ট করা নকশা, হোম ডেলিভারি | কয়েক দিন | প্রিন্টার নেই বা বড় কাগজে প্রিন্ট দরকার |
| সরকারি সার্টিফাইড কপি (land.gov.bd) | সত্যায়িত মুদ্রিত কপি | কয়েক দিন–সপ্তাহ | আদালত বা দাপ্তরিক কাজে প্রমাণ হিসেবে |
অনলাইনে জমির নকশা বের করার নিয়ম (ধাপে ধাপে)
- bdmouza.com-এ যান এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন করুন।
- সার্ভে টাইপ বেছে নিন — সিএস, এসএ, আরএস বা বিএস। কোনটা লাগবে নিশ্চিত না হলে নিচের অংশ পড়ুন।
- তালিকা থেকে মৌজার নাম খুঁজুন। একই নামের একাধিক মৌজা থাকলে জে.এল. নম্বর মিলিয়ে নিন।
- ফাইলের প্রিভিউ দেখে নিশ্চিত হন যে সঠিক মৌজা ও শিট।
- বিকাশে পেমেন্ট করুন — সাথে সাথে PDF/JPG ডাউনলোড হবে। পরে “আমার ক্রয়কৃত ম্যাপ” থেকে আবারও নামানো যাবে।
কোন জরিপের নকশা লাগবে?
বর্তমান মালিকানা ও নামজারির কাজে সাধারণত সর্বশেষ জরিপের (বিএস/বিআরএস, না হলে আরএস) নকশা লাগে। পুরোনো মালিকানার ধারাবাহিকতা বা উত্তরাধিকার যাচাইয়ে সিএস ও এসএ নকশা মিলিয়ে দেখতে হয়। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সিএস, এসএ, আরএস ও বিএস-এর পার্থক্য।
নকশা হাতে পাওয়ার পর কী করবেন
- খতিয়ান থেকে আপনার দাগ নম্বর নিন এবং নকশায় সেই দাগ খুঁজে বের করুন — কীভাবে, তা আছে মৌজা ম্যাপ দেখার নিয়ম গাইডে।
- নকশার মাপ থেকে জমির পরিমাণ বের করতে ব্যবহার করুন জমি মাপার ক্যালকুলেটর।
- মাঠে গিয়ে নকশার সাথে জমির আকার, রাস্তা ও পাশের জমি মিলিয়ে দেখুন। বড় লেনদেনে সার্ভেয়ার ও আইনজীবীর সাহায্য নিন।
বিডি মৌজা






