খতিয়ান বা মৌজা ম্যাপ কিনতে গেলে প্রথম প্রশ্ন আসে — সিএস, এসএ, আরএস নাকি বিএস? এগুলো আসলে বিভিন্ন সময়ে হওয়া ভূমি জরিপের নাম। প্রতিটি জরিপে নতুন করে মাপজোক করে খতিয়ান ও মৌজা নকশা তৈরি হয়েছে।
চার জরিপ এক নজরে
| জরিপ | পূর্ণরূপ | সময়কাল (মোটামুটি) | কাজে লাগে |
|---|---|---|---|
| সিএস (CS) | ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে | ১৮৮৮–১৯৪০ | সবচেয়ে পুরোনো মালিকানা ও দাগের ইতিহাস |
| এসএ (SA) | স্টেট অ্যাকুইজিশন | ১৯৫৬–১৯৬২ | জমিদারি উচ্ছেদের পরের রেকর্ড; উত্তরাধিকার যাচাই |
| আরএস (RS) | রিভিশনাল সার্ভে | ১৯৬০-এর দশক থেকে পর্যায়ক্রমে | অনেক এলাকায় এখনো প্রধান রেকর্ড |
| বিএস / বিআরএস (BS) | বাংলাদেশ সার্ভে | ১৯৯০-এর দশক থেকে চলমান | সর্বশেষ রেকর্ড; নামজারি ও বর্তমান দাগ |
কেন দাগ নম্বর বদলে যায়
প্রতিটি নতুন জরিপে মৌজার সব জমি নতুন করে মাপা হয় এবং দাগ নম্বর নতুনভাবে দেওয়া হয়। তাই সিএস-এর ১২৩ নম্বর দাগ বিএস-এ অন্য নম্বর হতে পারে, এমনকি ভাগ হয়ে একাধিক দাগ হতে পারে। পুরোনো দলিলের দাগ বর্তমান নকশায় খুঁজতে হলে দুই জরিপের নকশা পাশাপাশি রেখে অবস্থান মিলিয়ে দেখতে হয়।
কোন কাজে কোন নকশা
- জমি কেনার আগে যাচাই: বিএস (বা আরএস) + এসএ + সিএস — মালিকানার ধারাবাহিকতা ও সীমানা মেলাতে।
- নামজারি: সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান ও নকশা।
- উত্তরাধিকার বা পুরোনো দলিল: দলিলে যে জরিপের দাগ লেখা, সেই জরিপের নকশা।
- সীমানা বিরোধ: সংশ্লিষ্ট সব জরিপের নকশা ও সার্ভেয়ারের মাপ।
বিডি মৌজায় প্রতিটি উপজেলায় কোন কোন জরিপের নকশা আছে তা দেখতে জেলাভিত্তিক মৌজা ম্যাপ পেজে আপনার জেলা ও উপজেলা খুলুন।
বিডি মৌজা






